শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীরা সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়েই জবিতে ভর্তি হতে পারবে

  • জবি সংবাদদাতা॥
  • প্রকাশের সময় : ১১:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১৪৩
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে ফাঁকা আসন পূরণে সাক্ষাৎকার আহবান করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রথম থেকে সপ্তম মেধাক্রমে বিষয় বরাদ্দ পেয়েও যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি তারা সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়ে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ভর্তি হতে পারবে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে এ, বি এবং সি ইউনিটে সপ্তম মেধা তালিকা থেকে ভর্তির পর বিভিন্ন বিভাগে বিদ্যমান শূন্য আসনসমূহ মেধাক্রমের ভিত্তিতে পূরণের লক্ষ্যে একটি সাক্ষাৎকার আহ্বান করা হচ্ছে। প্রথমম হতে সপ্তম মেধা তালিকায় বিষয় বরাদ্দ পেয়েও যে সকল শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারেনি, তারা সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করতে পারবে। সাক্ষাৎকারে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মেধাক্রমানুসারে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে বিষয় বরাদ্দ দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাক্ষাৎকারে বিষয়প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা কোনো মাইগ্রেশনের সুযোগ পাবে না। পরবর্তীতে কোনো বিভাগের শূন্য আসন (যদি থাকে) পূরণের ক্ষেত্রেও তারা বিষয় পরিবর্তনের সুযোগ পাবে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য এটাই শেষ পদক্ষেপ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিজ্ঞান শাখা এ ইউনিটের মেধাক্রম ৪৫৩৩ থেকে ৫৫৩২ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। মেধাক্রম ৫৫৩৩ থেকে ৬৫৩২ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি। মেধাক্রম ৬৫৩৩ থেকে ৭৫০০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি। মানবিক শাখা বি ইউনিটের মেধাক্রম ১৮৭৯ থেকে ২১৯০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। মেধাক্রম ২১৯১ থেকে ২৫০০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি।
বাণিজ্য শাখা সি ইউনিটের মেধাক্রম ১২৪৭ থেকে ২০০০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডীন অফিসে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি।
প্রতিটি ইউনিটের সাক্ষাৎকার সকাল ৯টায় শুরু হয়ে চলবে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত ফরম ডাউনলোড করে সেটি পূরণ করে নিয়ে আসতে হবে।সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণকৃত শিক্ষার্থীদের বিষয় বরাদ্দ তালিকা আগামী ২২ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। ২৩ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টার মধ্যে ভর্তি ফিস ও কাগজপত্রাদি মনোনীত বিভাগে জমা দিয়ে ভর্তি হতে হবে।
রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তির জন্য তিনটি ইউনিটে (বিজ্ঞান,মানবিক ও বাণিজ্য অনুষদ) মোট ৪৯০টি ফাঁকা আসন সংখ্যা রয়েছে।
যার মধ্যে বিজ্ঞান (এ) ইউনিটে ফাঁকা আসন ১৬৯টি, মানবিক (বি) ইউনিটে ফাঁকা আসন ২৮৪টি এবং বাণিজ্য (সি) ইউনিটে ফাঁকা আসন রয়েছে ৩৭টি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩টি ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ২ হাজার ৭৬৫টি।
এর পূর্বে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে মোট ৭টি মেধাতালিকা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীরা নগদ,রকেট কিংবা শিউর ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ভর্তি ফি জমা দিতে পারবে। ভর্তির যাবতীয় বিষয়াবলি http://admission.jnu.ac.bd ওয়েবসাইটে জানা যাবে।
বার্তা/এন
জনপ্রিয়

কুবিতে স্টুডেন্ট’স ইউনিয়ন অব নাঙ্গলকোট এর নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

শিক্ষার্থীরা সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়েই জবিতে ভর্তি হতে পারবে

প্রকাশের সময় : ১১:১৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২২
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে ফাঁকা আসন পূরণে সাক্ষাৎকার আহবান করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রথম থেকে সপ্তম মেধাক্রমে বিষয় বরাদ্দ পেয়েও যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি তারা সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়ে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ভর্তি হতে পারবে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে এ, বি এবং সি ইউনিটে সপ্তম মেধা তালিকা থেকে ভর্তির পর বিভিন্ন বিভাগে বিদ্যমান শূন্য আসনসমূহ মেধাক্রমের ভিত্তিতে পূরণের লক্ষ্যে একটি সাক্ষাৎকার আহ্বান করা হচ্ছে। প্রথমম হতে সপ্তম মেধা তালিকায় বিষয় বরাদ্দ পেয়েও যে সকল শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারেনি, তারা সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করতে পারবে। সাক্ষাৎকারে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মেধাক্রমানুসারে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে বিষয় বরাদ্দ দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাক্ষাৎকারে বিষয়প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা কোনো মাইগ্রেশনের সুযোগ পাবে না। পরবর্তীতে কোনো বিভাগের শূন্য আসন (যদি থাকে) পূরণের ক্ষেত্রেও তারা বিষয় পরিবর্তনের সুযোগ পাবে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য এটাই শেষ পদক্ষেপ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিজ্ঞান শাখা এ ইউনিটের মেধাক্রম ৪৫৩৩ থেকে ৫৫৩২ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। মেধাক্রম ৫৫৩৩ থেকে ৬৫৩২ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি। মেধাক্রম ৬৫৩৩ থেকে ৭৫০০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি। মানবিক শাখা বি ইউনিটের মেধাক্রম ১৮৭৯ থেকে ২১৯০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। মেধাক্রম ২১৯১ থেকে ২৫০০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি।
বাণিজ্য শাখা সি ইউনিটের মেধাক্রম ১২৪৭ থেকে ২০০০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডীন অফিসে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি।
প্রতিটি ইউনিটের সাক্ষাৎকার সকাল ৯টায় শুরু হয়ে চলবে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত ফরম ডাউনলোড করে সেটি পূরণ করে নিয়ে আসতে হবে।সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণকৃত শিক্ষার্থীদের বিষয় বরাদ্দ তালিকা আগামী ২২ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হবে। ২৩ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টার মধ্যে ভর্তি ফিস ও কাগজপত্রাদি মনোনীত বিভাগে জমা দিয়ে ভর্তি হতে হবে।
রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তির জন্য তিনটি ইউনিটে (বিজ্ঞান,মানবিক ও বাণিজ্য অনুষদ) মোট ৪৯০টি ফাঁকা আসন সংখ্যা রয়েছে।
যার মধ্যে বিজ্ঞান (এ) ইউনিটে ফাঁকা আসন ১৬৯টি, মানবিক (বি) ইউনিটে ফাঁকা আসন ২৮৪টি এবং বাণিজ্য (সি) ইউনিটে ফাঁকা আসন রয়েছে ৩৭টি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩টি ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ২ হাজার ৭৬৫টি।
এর পূর্বে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে মোট ৭টি মেধাতালিকা প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীরা নগদ,রকেট কিংবা শিউর ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ভর্তি ফি জমা দিতে পারবে। ভর্তির যাবতীয় বিষয়াবলি http://admission.jnu.ac.bd ওয়েবসাইটে জানা যাবে।
বার্তা/এন