শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আজ বিশ্ব সুখ দিবস

ছবি- সংগৃহীত

আজ রবিবার (২০ মার্চ) বিশ্ব সুখ দিবস। খুশি থাকা সবার ব্যক্তিগত অধিকার। খুশি থাকার মনোভাব বাড়াতে প্রতিবছর ২০ মার্চ পালিত হয় বিশ সুখ দিবস।

২০১২ সালের জুলাই মাসে ইউনাইটেড নেশনসে প্রথম রেজোলিউশন পাস হয়। ভুটানের উদ্যোগেই এই দিন পালন করা শুরু হয়। ২০১৩ সাল থেকে দিনটি পালন করে ইউনাইটেড নেশন।

দিনটি উদযাপনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভুটানের নাম। জাতীয় আয়ের তুলনায় জাতীয় খুশির মাত্রাতে বেশি গুরুত্ব দেয় ভুটান। ১৯৭০ সাল থেকেই শুরু হয় এই পদক্ষেপ। দেশের ৬৬তম সাধারণ সভায় ‘গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস’কে গ্রাহ্য করে ভুটান।

খুশি থাকা ও ভালো থাকার বিষয়ে সে দেশে সরকারিভাবে আলোচনা ও কর্মসূচীও পালিত হয়। পরে ইউনাইটেড নেশনসে এই বিষয়ে রেজোনিউশন আনার প্রস্তাব দেয় ভুটান।

খুশির এই দিনে আনন্দের গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা প্রচার করা হয়। সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হাসিখুশি থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। খুশি থাকা কোনো ব্যক্তির উৎপাদনশীলতাও বাড়িয়ে দেয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বছরের ইন্টারন্যাশনাল ডে অব হ্যাপিনেসের থিম হলো, ‘মাথা ঠান্ডা রাখা ও মন শান্ত রাখা যে কোনো সময় আনন্দে থাকার চাবিকাঠি’। প্রতিবছরই বিশেষ এ দিন পালনে ভিন্ন ভিন্ন থিম বেছে নেওয়া হয়।

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে নুরুজ্জামান লিটন ও আজিজুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

আজ বিশ্ব সুখ দিবস

প্রকাশের সময় : ১২:১৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

আজ রবিবার (২০ মার্চ) বিশ্ব সুখ দিবস। খুশি থাকা সবার ব্যক্তিগত অধিকার। খুশি থাকার মনোভাব বাড়াতে প্রতিবছর ২০ মার্চ পালিত হয় বিশ সুখ দিবস।

২০১২ সালের জুলাই মাসে ইউনাইটেড নেশনসে প্রথম রেজোলিউশন পাস হয়। ভুটানের উদ্যোগেই এই দিন পালন করা শুরু হয়। ২০১৩ সাল থেকে দিনটি পালন করে ইউনাইটেড নেশন।

দিনটি উদযাপনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ভুটানের নাম। জাতীয় আয়ের তুলনায় জাতীয় খুশির মাত্রাতে বেশি গুরুত্ব দেয় ভুটান। ১৯৭০ সাল থেকেই শুরু হয় এই পদক্ষেপ। দেশের ৬৬তম সাধারণ সভায় ‘গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস’কে গ্রাহ্য করে ভুটান।

খুশি থাকা ও ভালো থাকার বিষয়ে সে দেশে সরকারিভাবে আলোচনা ও কর্মসূচীও পালিত হয়। পরে ইউনাইটেড নেশনসে এই বিষয়ে রেজোনিউশন আনার প্রস্তাব দেয় ভুটান।

খুশির এই দিনে আনন্দের গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা প্রচার করা হয়। সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হাসিখুশি থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। খুশি থাকা কোনো ব্যক্তির উৎপাদনশীলতাও বাড়িয়ে দেয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বছরের ইন্টারন্যাশনাল ডে অব হ্যাপিনেসের থিম হলো, ‘মাথা ঠান্ডা রাখা ও মন শান্ত রাখা যে কোনো সময় আনন্দে থাকার চাবিকাঠি’। প্রতিবছরই বিশেষ এ দিন পালনে ভিন্ন ভিন্ন থিম বেছে নেওয়া হয়।