মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে কালবৈশাখীর ব্যাপক তাণ্ডব, লন্ডভন্ড কয়েকটা গ্রাম

যশোরে কালবৈশাখীর ব্যাপক তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে কয়েকটা গ্রাম। ঝড়ে সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের ভাগলপুর, মিরা লাউখালী, রসুলপুর, নাটুয়াপাড়া, বারীনগর বাজার, জোড়াদাহ হৈবতপুর, মথুরাপুরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা বাড়ি ঘর, আধাপাকা ঘর, টিনসেট, বড় বড় গাছ, বৈদ্যুতিক খুটি উপড়ে পড়েছে। এছাড়াও মাঠের সবজি ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

শনিবার (২১ মে) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ঝড় শুরু হয়। এ ঝড় প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী ছিলো।

এলাকা বাসীরা জানান, তাদের দেখা জীবনে সব চেয়ে বড় ঝড় এটি। আর এই ঝড়ে চিরচেনা গ্রামগুলো সবই অচেনা মনে হচ্ছে। চারিদিকে শুধু ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়েছে।

ভাগলপুর গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মকছেদ আলী বলেন, আমাদের গ্রাম সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। গাছপালাসহ বাড়ি ঘর ও বিদ্যুৎতের খুটি উপড়ে পড়েছে। শাক-সবজি ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

একই গ্রামের ইউনুচ আলী জানান, জীবনে এমন গতির ঝড় দেখিনি। চোখের সামনে বড় বড় গাছপালা ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে গেছে ঝড়ে।

হৈবতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু সিদ্দিক জানান, ইউনিয়নের ১০/১৩ টি গ্রাম লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ঝড়ে। তিনি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন অসহায় কৃষক ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে।

যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনুপ দাশ বলেন, শনিবারের হঠাৎ ঝড়ে উপজেলার বেশ কিছু জায়গায় ক্ষতি হয়েছে। আমরা বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে আছি।

 

জনপ্রিয়

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

যশোরে কালবৈশাখীর ব্যাপক তাণ্ডব, লন্ডভন্ড কয়েকটা গ্রাম

প্রকাশের সময় : ১০:০১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মে ২০২২

যশোরে কালবৈশাখীর ব্যাপক তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে কয়েকটা গ্রাম। ঝড়ে সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের ভাগলপুর, মিরা লাউখালী, রসুলপুর, নাটুয়াপাড়া, বারীনগর বাজার, জোড়াদাহ হৈবতপুর, মথুরাপুরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা বাড়ি ঘর, আধাপাকা ঘর, টিনসেট, বড় বড় গাছ, বৈদ্যুতিক খুটি উপড়ে পড়েছে। এছাড়াও মাঠের সবজি ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

শনিবার (২১ মে) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ঝড় শুরু হয়। এ ঝড় প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী ছিলো।

এলাকা বাসীরা জানান, তাদের দেখা জীবনে সব চেয়ে বড় ঝড় এটি। আর এই ঝড়ে চিরচেনা গ্রামগুলো সবই অচেনা মনে হচ্ছে। চারিদিকে শুধু ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়েছে।

ভাগলপুর গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা মকছেদ আলী বলেন, আমাদের গ্রাম সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। গাছপালাসহ বাড়ি ঘর ও বিদ্যুৎতের খুটি উপড়ে পড়েছে। শাক-সবজি ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

একই গ্রামের ইউনুচ আলী জানান, জীবনে এমন গতির ঝড় দেখিনি। চোখের সামনে বড় বড় গাছপালা ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে গেছে ঝড়ে।

হৈবতপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবু সিদ্দিক জানান, ইউনিয়নের ১০/১৩ টি গ্রাম লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ঝড়ে। তিনি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন অসহায় কৃষক ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে।

যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনুপ দাশ বলেন, শনিবারের হঠাৎ ঝড়ে উপজেলার বেশ কিছু জায়গায় ক্ষতি হয়েছে। আমরা বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে আছি।