বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 

কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় মো. আবু বাক্কার (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সৎ মেয়ের জামাতকে কুপিয়ে হত্যা মামলার এ রায় ঘোষণা করে আদালত।
আজ বুধবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সায়েদুর রহমান এ রায় দেন। হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আবু বাক্কার কিশোরগঞ্জ পৌরসভার তারাপাশা এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, হত্যা মামলার বাদী শারমিন আক্তারের বাবা মারা যাওয়ার পর তার মায়ের বিয়ে হয় আবু বাক্কারের সাথে। পরে শারমিন আক্তার আবু বাক্কারের বাড়ির পাশেই একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। এর কিছুদিন পর ২০১৪ সালে শহরের বত্রিশ এলাকার রূপক চন্দ্র বনিকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এক পর্যায়ে রূপক তাকে বিয়ে প্রস্তাব দিলে শারমিন তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বলেন। রূপক তার কথায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন ও তার নাম রাখা হয় ওমর ফারুক। প্রেমের সম্পর্ক বিয়েতে পরিণত হলে তাদের সংসারে কিছুদিন পর পর ঝগড়া বিবাদ হতো। এ বিষয়টি শারমিন তার সৎ বাবাকে জানালে তার স্বামীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয় আবু বাক্কার।
পরে ২০১৯ সালে ৩০ মে সকালে তার স্বামী তাকে আবু বাক্কারের বাড়িতে খুঁজতে গেলে তার সাথে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে ঘর থেকে দা এনে তার স্বামী ওমর ফারুককে কুপিয়ে হত্যা করেন আবু বাক্কার। পরে খবর পেয়ে শারমিন আবু বাক্কারের বাড়িতে ছুটে গিয়ে তার স্বামীর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে এদিন রাতেই কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় বাক্কারকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন শারমিন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমার সরকার ২০১৯ সালের ১২ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
কিশোরগঞ্জ জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (ভারপ্রাপ্ত) এডভোকেট মো. আবু সাঈদ ইমাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জনপ্রিয়

খালেদা জিয়াকে গার্ড অব অনার তিন বাহিনীর

কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 

প্রকাশের সময় : ১০:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২
কিশোরগঞ্জে হত্যা মামলায় মো. আবু বাক্কার (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সৎ মেয়ের জামাতকে কুপিয়ে হত্যা মামলার এ রায় ঘোষণা করে আদালত।
আজ বুধবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সায়েদুর রহমান এ রায় দেন। হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আবু বাক্কার কিশোরগঞ্জ পৌরসভার তারাপাশা এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, হত্যা মামলার বাদী শারমিন আক্তারের বাবা মারা যাওয়ার পর তার মায়ের বিয়ে হয় আবু বাক্কারের সাথে। পরে শারমিন আক্তার আবু বাক্কারের বাড়ির পাশেই একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। এর কিছুদিন পর ২০১৪ সালে শহরের বত্রিশ এলাকার রূপক চন্দ্র বনিকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এক পর্যায়ে রূপক তাকে বিয়ে প্রস্তাব দিলে শারমিন তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বলেন। রূপক তার কথায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন ও তার নাম রাখা হয় ওমর ফারুক। প্রেমের সম্পর্ক বিয়েতে পরিণত হলে তাদের সংসারে কিছুদিন পর পর ঝগড়া বিবাদ হতো। এ বিষয়টি শারমিন তার সৎ বাবাকে জানালে তার স্বামীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয় আবু বাক্কার।
পরে ২০১৯ সালে ৩০ মে সকালে তার স্বামী তাকে আবু বাক্কারের বাড়িতে খুঁজতে গেলে তার সাথে তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে ঘর থেকে দা এনে তার স্বামী ওমর ফারুককে কুপিয়ে হত্যা করেন আবু বাক্কার। পরে খবর পেয়ে শারমিন আবু বাক্কারের বাড়িতে ছুটে গিয়ে তার স্বামীর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে এদিন রাতেই কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় বাক্কারকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন শারমিন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমার সরকার ২০১৯ সালের ১২ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
কিশোরগঞ্জ জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (ভারপ্রাপ্ত) এডভোকেট মো. আবু সাঈদ ইমাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।