রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এসএসসি যশোর বোর্ডে পাশের হার বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ

  • শহিদ জয়, যশোর
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২
  • ১৯০
এবছর এসএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ডে যেমন পাশের হার বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও। যশোর শিক্ষাবোর্ডে এ বছর পাশের হার ৯৫.১৭ শতাংশ। গতবছর যা ছিল ৯৩.০৯। চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ হাজার ৮৯২ শিক্ষার্থী; গত বছর ছিল ১৬ হাজার ৪৬১। যা গতবারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। আজ সোমবার দুপুর দেড়টায় প্রেসক্লাব যশোরে প্রেস ব্রিফিংয়ে যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র এই তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
 
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, খুলনা বিভাগের ২ হাজার ৫৪৯ টি প্রতিষ্ঠোনর শিক্ষার্থীরা ২৯৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫০১জন। যাদের মধ্যে পাশ করেছে ১লাখ ৬১ হাজার ৩১৪জন। পাশের হার ৯৫.১৭। যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এবছর ৫১৩টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাশ করেছে, অর্থাৎ শতভাগ পাশ করেছে। আর শতভাগ ফেল করেছে মাত্র একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এদিকে ফলাফল পেয় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, করোনার তিক্ততা কাটিয়ে পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে মূল্যায় হওয়ায় তারা বেশ খুশি। অভিভাবকরাও সন্তানদের সাফল্যে আনন্দিত। করোনার অবসাদের মধ্যে পড়ালেখা চালিয়ে সন্তানরা ভালো ফলাফল করায় তাদের চোখে মুখে সন্তুষ্টির অভিব্যক্তি।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, সংক্ষিপ্ত সিলেবাস, প্রশ্নে একাধিক অপশন থাকায় শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে লিখতে পেরেছে। এজন্য ফলাফল ভাল হয়েছে। এছাড়াও এবছর অংশগ্রহণকারি শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন ব্যাংকের আওতায় বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে তাই প্রশ্ন নিয়ে কোন ভীতি ছিল না। ফলে এ বছরের ফলাফল অনেক ভালো হয়েছে।
জনপ্রিয়

বিকেলে সিইসির সঙ্গে মির্জা ফখরুলের বৈঠক

এসএসসি যশোর বোর্ডে পাশের হার বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ

প্রকাশের সময় : ০৩:১৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২
এবছর এসএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ডে যেমন পাশের হার বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যাও। যশোর শিক্ষাবোর্ডে এ বছর পাশের হার ৯৫.১৭ শতাংশ। গতবছর যা ছিল ৯৩.০৯। চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০ হাজার ৮৯২ শিক্ষার্থী; গত বছর ছিল ১৬ হাজার ৪৬১। যা গতবারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। আজ সোমবার দুপুর দেড়টায় প্রেসক্লাব যশোরে প্রেস ব্রিফিংয়ে যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র এই তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
 
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, খুলনা বিভাগের ২ হাজার ৫৪৯ টি প্রতিষ্ঠোনর শিক্ষার্থীরা ২৯৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫০১জন। যাদের মধ্যে পাশ করেছে ১লাখ ৬১ হাজার ৩১৪জন। পাশের হার ৯৫.১৭। যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এবছর ৫১৩টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাশ করেছে, অর্থাৎ শতভাগ পাশ করেছে। আর শতভাগ ফেল করেছে মাত্র একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
এদিকে ফলাফল পেয় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, করোনার তিক্ততা কাটিয়ে পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে মূল্যায় হওয়ায় তারা বেশ খুশি। অভিভাবকরাও সন্তানদের সাফল্যে আনন্দিত। করোনার অবসাদের মধ্যে পড়ালেখা চালিয়ে সন্তানরা ভালো ফলাফল করায় তাদের চোখে মুখে সন্তুষ্টির অভিব্যক্তি।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, সংক্ষিপ্ত সিলেবাস, প্রশ্নে একাধিক অপশন থাকায় শিক্ষার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে লিখতে পেরেছে। এজন্য ফলাফল ভাল হয়েছে। এছাড়াও এবছর অংশগ্রহণকারি শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন ব্যাংকের আওতায় বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে তাই প্রশ্ন নিয়ে কোন ভীতি ছিল না। ফলে এ বছরের ফলাফল অনেক ভালো হয়েছে।