সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে যেসব উপকারী ফল খাবেন

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য শরীরকে রোগমুক্ত রাখা প্রয়োজন। ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়া এমন একটি সমস্যা যাতে শরীর অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড শোষণ করতে পারে না এবং এটি স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। শরীরে পিউরিনের পরিমাণ বেশি হলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাও বেড়ে যায়। একই সময়ে, অস্থিসন্ধিতে ইউরিক অ্যাসিডের স্ফটিক বা ক্রিস্টাল জমা  হলে হাঁটু ও হাত এবং পায়ের আঙ্গুলগুলিতে ব্যথা হয়।

ইউরিক অ্যাসিড কমানোর জন্য সব সময় ওষুধ প্রয়োজন হয় না। বিশেষ করে অ্যাকিউট অ্যাটাক বা হঠাৎ সন্ধি প্রদাহের সময় ওষুধ দেওয়া হয় না। সাধারণত খাদ্যভ্যাাস ও জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তনেই ইউরিক অ্যাসিড কমানো যায়। কিছু কিছু ফল আছে যা ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। যেমন-

চেরি:  ইউরিক অ্যাসিড কমাতে চেরি খাওয়া যেতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি চেরি শরীরের প্রদাহ কমাতে কার্যকর। এগুলিকে সাধারণভাবে খাওয়া যেতে পারে বা এগুলি স্মুদি এবং শেক তৈরি করে খাওয়া যায়।

কিউই : কিউই খেলে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার পাওয়া যায়। এই ফল শুধু ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে না, শরীরকে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্ত করে। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ফোলেট এবং পটাশিয়ামও ভালো পরিমাণে পাওয়া যায়।

কলা: পিউরিন বাড়লে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণও বেড়ে যায়। কলা এমন একটি ফল যা শরীরে পিউরিনের পরিমাণ কমাতে ভালো প্রভাব দেখায়। গেঁটেবাত, বিশেষ করে ইউরিক অ্যাসিডে আক্রান্তদের জন্য কলা বেশ উপকারী।

আপেল: ইউরিক অ্যাসিড থেকে মুক্তি পেতে ফাইবার সমৃদ্ধ আপেল খাওয়া যেতে পারে। ফাইবার ইউরিক অ্যাসিড কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া অ্যাপেল ভিনেগারকেও ডায়েটের অংশ করা যেতে পারে। আপেল প্লেইন খেতে পারেন বা এক গ্লাস পানিতে এক চামচ আপেল ভিনেগার মিশিয়ে পান করতে পারেন।

কমলা: বেশিরভাগ সাইট্রাস ফল ইউরিক অ্যাসিড কমাতে কার্যকর প্রমাণিত, কমলাও সেই ফলগুলির মধ্যে একটি। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সহায়ক। এর প্রভাব ইউরিক অ্যাসিড কমাতেও দেখা যায়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কমলা খাওয়ার পাশাপাশি এর জুসকেও ডায়েটের অংশ করতে পারে

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের জনসভা অনুষ্ঠিত

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে যেসব উপকারী ফল খাবেন

প্রকাশের সময় : ১০:৫৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য শরীরকে রোগমুক্ত রাখা প্রয়োজন। ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়া এমন একটি সমস্যা যাতে শরীর অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড শোষণ করতে পারে না এবং এটি স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। শরীরে পিউরিনের পরিমাণ বেশি হলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাও বেড়ে যায়। একই সময়ে, অস্থিসন্ধিতে ইউরিক অ্যাসিডের স্ফটিক বা ক্রিস্টাল জমা  হলে হাঁটু ও হাত এবং পায়ের আঙ্গুলগুলিতে ব্যথা হয়।

ইউরিক অ্যাসিড কমানোর জন্য সব সময় ওষুধ প্রয়োজন হয় না। বিশেষ করে অ্যাকিউট অ্যাটাক বা হঠাৎ সন্ধি প্রদাহের সময় ওষুধ দেওয়া হয় না। সাধারণত খাদ্যভ্যাাস ও জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তনেই ইউরিক অ্যাসিড কমানো যায়। কিছু কিছু ফল আছে যা ইউরিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। যেমন-

চেরি:  ইউরিক অ্যাসিড কমাতে চেরি খাওয়া যেতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি চেরি শরীরের প্রদাহ কমাতে কার্যকর। এগুলিকে সাধারণভাবে খাওয়া যেতে পারে বা এগুলি স্মুদি এবং শেক তৈরি করে খাওয়া যায়।

কিউই : কিউই খেলে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার পাওয়া যায়। এই ফল শুধু ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে না, শরীরকে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্ত করে। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ফোলেট এবং পটাশিয়ামও ভালো পরিমাণে পাওয়া যায়।

কলা: পিউরিন বাড়লে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণও বেড়ে যায়। কলা এমন একটি ফল যা শরীরে পিউরিনের পরিমাণ কমাতে ভালো প্রভাব দেখায়। গেঁটেবাত, বিশেষ করে ইউরিক অ্যাসিডে আক্রান্তদের জন্য কলা বেশ উপকারী।

আপেল: ইউরিক অ্যাসিড থেকে মুক্তি পেতে ফাইবার সমৃদ্ধ আপেল খাওয়া যেতে পারে। ফাইবার ইউরিক অ্যাসিড কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া অ্যাপেল ভিনেগারকেও ডায়েটের অংশ করা যেতে পারে। আপেল প্লেইন খেতে পারেন বা এক গ্লাস পানিতে এক চামচ আপেল ভিনেগার মিশিয়ে পান করতে পারেন।

কমলা: বেশিরভাগ সাইট্রাস ফল ইউরিক অ্যাসিড কমাতে কার্যকর প্রমাণিত, কমলাও সেই ফলগুলির মধ্যে একটি। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সহায়ক। এর প্রভাব ইউরিক অ্যাসিড কমাতেও দেখা যায়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কমলা খাওয়ার পাশাপাশি এর জুসকেও ডায়েটের অংশ করতে পারে