শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেনাপোলে ৩টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৯০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

নুরুল ইসলাম :=

অনুমোদন না নিয়ে ক্লিনিক পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় ডাক্তার, নার্স না থাকার অপরাধে যশোরের শার্শা উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালত অভিযানে বেনাপোলে ৩টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৯০হাজার টাকা অর্থদন্ড ও জরিমানা করে।

১৯ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে বেনাপোল বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃখোরশেদ আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় বেনাপোলে অভিযান কালে স্থাণীয়  ক্লিনিকে ৫০ হাজার টাকা, ষ্টার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২০হাজার টাকা ও সুরক্ষা ডায়াগনস্টিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন।

ভ্রাম্যমান সুত্রে জানা যায়, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোন বৈধ্য কাগজপত্র ও অনুমোদন নেই। কোন বৈধ্য কাগজপত্র ও অনুমোদন থাকলেও তা মেয়াদ উত্তীর্ণ। অথচ ওই সব ক্লিনিকে দেদারছে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছিলো এবং রোগীদের সুচিকিৎসা দেয়া হচ্ছিলো না, এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালায়। অভিযানের সত্যতা পাওয়ায় এ জরিমানা করা হয় ক্লিনিক গুলোকে।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, বৈধ্য কাগজপত্র ও অনুমোদন না থাকার অভিযোগে ৩টি ক্লিনিকে ৯০ হাজার টাকা ভোক্তা আইন ২০০৯এর ৫৩ ধারায় ব্যবস্থা নেয়া হয়। ক্লিনিক গুলোর কাগজপত্র ও অনুমোদন নিয়ে সঠিক ভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়ার পরামর্শ দেন। সেই সাথে শার্শা উপজেলাসহ ভ্রাম্যমান আদালতের সকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

৭ জেলায় নির্বাচনী সমাবেশ শেষে ভোরে ঢাকায় ফিরলেন তারেক রহমান

বেনাপোলে ৩টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৯০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমান আদালত

প্রকাশের সময় : ০৭:৫১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯
নুরুল ইসলাম :=

অনুমোদন না নিয়ে ক্লিনিক পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় ডাক্তার, নার্স না থাকার অপরাধে যশোরের শার্শা উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালত অভিযানে বেনাপোলে ৩টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৯০হাজার টাকা অর্থদন্ড ও জরিমানা করে।

১৯ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে বেনাপোল বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃখোরশেদ আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় বেনাপোলে অভিযান কালে স্থাণীয়  ক্লিনিকে ৫০ হাজার টাকা, ষ্টার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ২০হাজার টাকা ও সুরক্ষা ডায়াগনস্টিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন।

ভ্রাম্যমান সুত্রে জানা যায়, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোন বৈধ্য কাগজপত্র ও অনুমোদন নেই। কোন বৈধ্য কাগজপত্র ও অনুমোদন থাকলেও তা মেয়াদ উত্তীর্ণ। অথচ ওই সব ক্লিনিকে দেদারছে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছিলো এবং রোগীদের সুচিকিৎসা দেয়া হচ্ছিলো না, এমন খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালায়। অভিযানের সত্যতা পাওয়ায় এ জরিমানা করা হয় ক্লিনিক গুলোকে।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন, বৈধ্য কাগজপত্র ও অনুমোদন না থাকার অভিযোগে ৩টি ক্লিনিকে ৯০ হাজার টাকা ভোক্তা আইন ২০০৯এর ৫৩ ধারায় ব্যবস্থা নেয়া হয়। ক্লিনিক গুলোর কাগজপত্র ও অনুমোদন নিয়ে সঠিক ভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়ার পরামর্শ দেন। সেই সাথে শার্শা উপজেলাসহ ভ্রাম্যমান আদালতের সকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেন।