বুধবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচএম আলী হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশ সূত্রে, আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডলকে আহ্বায়ক ও উপ-রেজিস্ট্রার আলীবদ্দীন খানকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি প্রফেসর ড. দেবাশীষ শর্মা, খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. ইয়াসমিন আরা সাথী ও সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. মুর্শিদ আলম। এ কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনা কেন্দ্র করে ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি, জড়িতদের তদন্তপূর্বক চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত এবং ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
এ ছাড়া বিকাল সাড়ে ৩টায় শাখা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসিতে প্রেস কর্নারে তারা এ সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানা গেছে।
সম্মেলনে শাখা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে দলীয় সূত্র। কমিটি তদন্ত রিপোর্টের আলোকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করবেন বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, রোববার রাতে দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের গণরুমে ডেকে রাত ১১টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত নবীন এক ছাত্রীকে মারধর ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ফুলপরি খাতুন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী এবং অভিযুক্ত অন্তরা পাল্টাপাল্টি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে বিচার দাবি করেন।
ইবি প্রতিনিধি ।। 








































