সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাইজারে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১৩৭

রায়হান সোবহান ## পশ্চিম নাইজারের তহুরা এলাকায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, সশস্ত্র বাহিনীর নির্মম আক্রমণ মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

সরকার প্রথমে জানিয়েছিল, ৮০ জন মারা গেছেন। পরে জানানো হয়, মৃতের সংখ্যা অন্ততপক্ষে ১৩৭ জন। খবর আল জাজিরার

স্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মালি সীমান্তের কাছের গ্রামগুলিতে সশস্ত্র বাহিনী এসে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। গুলি চালানোর সময় তারা কোনো বাছবিচার করেনি। সরকার এই নৃশংসতার নিন্দা করছে। সরকারের মতে, যারা এই কাজ করছে, তাদের আইন বা কোনো ধর্মে বিশ্বাস নেই।

সরকার জানিয়েছে, তিনদিন জাতীয় শোক পালন করা হবে। এই এলাকায় আরো নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানো হবে। যারা এই আক্রমণ করছে, তাদের শাস্তি দেয়া হবে।

রবিবারই সাংবিধানিক আদালত জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাজোউম ভোটে জিতেছেন। ভোটের পর থেকেই নাইজারে সশস্ত্র হামলা বাড়ছে। গত সপ্তাহে টিলাবেরি এলাকায় এই ধরনের হামলায় ৬৮ জন মারা গেছেন।

সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, একইরকম নৃশংসভাবে দক্ষিণপশ্চিম নাইজারেও আক্রমণ শানিয়েছে জিহাদিরা। এটা জানুয়ারিতে একশ জনকে হত্যার ঘটনাকে মনে পড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মালি ও নাইজেরিয়া থেকে জিহাদিরা নাইজারে এসে এই সব হামলা চালাচ্ছে।

সূত্র জানিয়েছে, ব্যাপক সংখ্যক দুর্বত্ত মোটরসাইকেলে এসে ইন্তাজায়েন, বেকোরেত এবং অন্যান্য স্থানে হামলা চালায়। তারা বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেয় এবং স্থানীয় লোকজনদের ওপর প্রকাশ্যে গুলি চালায়।

গত সপ্তাহে একই এলাকায় সন্ত্রাসীরা অন্তত ৫৮ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে। পশ্চিম নাইজারে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে ফ্রান্সের সেনা থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা বাহিনী এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ব্যাপক হামলা সংগঠিত হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

লেখকের সম্পর্কে

Shahriar Hossain

জনপ্রিয়

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার আহ্বান সৌদি আরবের

নাইজারে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১৩৭

প্রকাশের সময় : ০২:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১

রায়হান সোবহান ## পশ্চিম নাইজারের তহুরা এলাকায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, সশস্ত্র বাহিনীর নির্মম আক্রমণ মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

সরকার প্রথমে জানিয়েছিল, ৮০ জন মারা গেছেন। পরে জানানো হয়, মৃতের সংখ্যা অন্ততপক্ষে ১৩৭ জন। খবর আল জাজিরার

স্থানীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মালি সীমান্তের কাছের গ্রামগুলিতে সশস্ত্র বাহিনী এসে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। গুলি চালানোর সময় তারা কোনো বাছবিচার করেনি। সরকার এই নৃশংসতার নিন্দা করছে। সরকারের মতে, যারা এই কাজ করছে, তাদের আইন বা কোনো ধর্মে বিশ্বাস নেই।

সরকার জানিয়েছে, তিনদিন জাতীয় শোক পালন করা হবে। এই এলাকায় আরো নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানো হবে। যারা এই আক্রমণ করছে, তাদের শাস্তি দেয়া হবে।

রবিবারই সাংবিধানিক আদালত জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট বাজোউম ভোটে জিতেছেন। ভোটের পর থেকেই নাইজারে সশস্ত্র হামলা বাড়ছে। গত সপ্তাহে টিলাবেরি এলাকায় এই ধরনের হামলায় ৬৮ জন মারা গেছেন।

সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, একইরকম নৃশংসভাবে দক্ষিণপশ্চিম নাইজারেও আক্রমণ শানিয়েছে জিহাদিরা। এটা জানুয়ারিতে একশ জনকে হত্যার ঘটনাকে মনে পড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মালি ও নাইজেরিয়া থেকে জিহাদিরা নাইজারে এসে এই সব হামলা চালাচ্ছে।

সূত্র জানিয়েছে, ব্যাপক সংখ্যক দুর্বত্ত মোটরসাইকেলে এসে ইন্তাজায়েন, বেকোরেত এবং অন্যান্য স্থানে হামলা চালায়। তারা বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেয় এবং স্থানীয় লোকজনদের ওপর প্রকাশ্যে গুলি চালায়।

গত সপ্তাহে একই এলাকায় সন্ত্রাসীরা অন্তত ৫৮ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে। পশ্চিম নাইজারে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে ফ্রান্সের সেনা থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা বাহিনী এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ব্যাপক হামলা সংগঠিত হচ্ছে।