রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অগ্নিদগ্ধের ৩২ দিন পর মারা গেলো স্কুল ছাত্রী আরিশা

বেনাপোল প্রতিনিধি।।  
তেতুল খেতে গিয়ে তা কাল হয়ে দাঁড়ালো অরিশা খাতুন নামে ১০ বছরের এক স্কুল ছাত্রীর। ৩২ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জালড়ে অবশেষে লাশ হয়ে ফিরলো পরিবারের কাছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের শার্শা উপজেলার টেংরালী গ্রামে।
এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,যশোরের শার্শার টেংরালী গ্রামের নূর হোসেনের মেয়ে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী অরিশা খাতুন গত ২২ অক্টোবর গ্রামের অন্য একটি বাচ্চাকে দেখে সে নিজেও আগুন দিয়ে তেতুল পুড়িয়ে খেতে যায়। কিন্তু কিছু বুঝে উঠার আগেই অসাবধানতার কারণে প্রথমে তার ওড়নাতে আগুন ধরে যায় এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আগুন তার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শষ্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু অবস্থায় অবনতি হলে ৪৮ ঘন্টা পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিট হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও ভাগ্য বদলায়নি শিশু আরিশা খাতুনের।
দীর্ঘ চিকিৎসার পর বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাত ৮টায় ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিট হাসপাতালে চিকিৎসাধী অবস্থায় মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায়  নিহতের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ সময় পরিবারের লোকজনসহ আশেপাশের মানুষের কান্নায় এলাকার বাকাস ভারী হয়ে উঠে। পরে জানাযা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয় অরিশা খাতুনকে। শিশু অরিশার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জনপ্রিয়

ট্রাম্পের আদায় করা শুল্কের ১৩৩ বিলিয়ন ডলার এখন কারা পাবেন?

অগ্নিদগ্ধের ৩২ দিন পর মারা গেলো স্কুল ছাত্রী আরিশা

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৯:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১
বেনাপোল প্রতিনিধি।।  
তেতুল খেতে গিয়ে তা কাল হয়ে দাঁড়ালো অরিশা খাতুন নামে ১০ বছরের এক স্কুল ছাত্রীর। ৩২ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জালড়ে অবশেষে লাশ হয়ে ফিরলো পরিবারের কাছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের শার্শা উপজেলার টেংরালী গ্রামে।
এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,যশোরের শার্শার টেংরালী গ্রামের নূর হোসেনের মেয়ে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী অরিশা খাতুন গত ২২ অক্টোবর গ্রামের অন্য একটি বাচ্চাকে দেখে সে নিজেও আগুন দিয়ে তেতুল পুড়িয়ে খেতে যায়। কিন্তু কিছু বুঝে উঠার আগেই অসাবধানতার কারণে প্রথমে তার ওড়নাতে আগুন ধরে যায় এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আগুন তার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর চিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শষ্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু অবস্থায় অবনতি হলে ৪৮ ঘন্টা পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিট হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও ভাগ্য বদলায়নি শিশু আরিশা খাতুনের।
দীর্ঘ চিকিৎসার পর বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাত ৮টায় ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিট হাসপাতালে চিকিৎসাধী অবস্থায় মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায়  নিহতের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ সময় পরিবারের লোকজনসহ আশেপাশের মানুষের কান্নায় এলাকার বাকাস ভারী হয়ে উঠে। পরে জানাযা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয় অরিশা খাতুনকে। শিশু অরিশার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।