সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২০২৫ সালের মধ্যে প্রতিটি ক্লাসরুমকে ডিজিটালাইজড করা হবে –শিক্ষামন্ত্রী

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ০৮:২৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১৬৩

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ক্লাসরুমগুলোকে ডিজিটালাইজড করা হবে।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এসিআই সেন্টারে আয়োজিত ‘মেধাবীর সুপারনোভা’ ও ‘কিডস ব্রেইন বিল্ডার’ অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিশুদের শিক্ষাকে আমরা আনন্দময় করতে চাই। তাহলে শিশুরা আনন্দের সঙ্গে শিখবে এবং সেই শিক্ষাটা মনে থাকবে। তবে তাদেরকে ভয় দেখিয়ে শেখানো যাবে না।

তিনি বলেন, পাহাড়, হাওর এলাকাগুলোতে শিক্ষক পাওয়া যায় না। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হওয়ায় এখন সবজায়গায় ইন্টারনেট পৌঁছে গেছে। যে কারণে এখন আর ক্লাসে শিক্ষক না থাকলেও সমস্যা হবে না। শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির মাধ্যমেই সব শিখে ফেলতে পারবে।

দীপু মনি বলেন, আমাদের এখন হাতে হাতে মোবাইল ফোন। ইন্টারনেট গ্রাহক ১৩ কোটির মতো। আমরা এখন সারাক্ষণ ডিভাইস নিয়ে বসে থাকছি। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলো কোনো কাজে লাগছে না, সেগুলো দেখে সময় নষ্ট হচ্ছে, আমাদের ব্রেইন অবসাদ হয়ে পড়ছে। এমনটা করা যাবে না। এটা একধরনের আসক্তি।

তিনি বলেন, যদি এই ডিভাইসের মাধ্যমে কিছু শেখা যায়, নিজের ব্রেইন ডেভেলপ হয়, পড়াশোনা করা যায়, তাহলে সেটা আসক্তি না। এক্ষেত্রে কোনো অ্যাপ যেন আমাদের আসক্তির দিকে নিয়ে না যায়, সেটা আমাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

জনপ্রিয়

যশোর সালিশ শেষে ফেরার পথে হিজড়া যুবককে ব্লেড দিয়ে কুপিয়ে জখম

২০২৫ সালের মধ্যে প্রতিটি ক্লাসরুমকে ডিজিটালাইজড করা হবে –শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৮:২৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ক্লাসরুমগুলোকে ডিজিটালাইজড করা হবে।

সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এসিআই সেন্টারে আয়োজিত ‘মেধাবীর সুপারনোভা’ ও ‘কিডস ব্রেইন বিল্ডার’ অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিশুদের শিক্ষাকে আমরা আনন্দময় করতে চাই। তাহলে শিশুরা আনন্দের সঙ্গে শিখবে এবং সেই শিক্ষাটা মনে থাকবে। তবে তাদেরকে ভয় দেখিয়ে শেখানো যাবে না।

তিনি বলেন, পাহাড়, হাওর এলাকাগুলোতে শিক্ষক পাওয়া যায় না। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হওয়ায় এখন সবজায়গায় ইন্টারনেট পৌঁছে গেছে। যে কারণে এখন আর ক্লাসে শিক্ষক না থাকলেও সমস্যা হবে না। শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির মাধ্যমেই সব শিখে ফেলতে পারবে।

দীপু মনি বলেন, আমাদের এখন হাতে হাতে মোবাইল ফোন। ইন্টারনেট গ্রাহক ১৩ কোটির মতো। আমরা এখন সারাক্ষণ ডিভাইস নিয়ে বসে থাকছি। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলো কোনো কাজে লাগছে না, সেগুলো দেখে সময় নষ্ট হচ্ছে, আমাদের ব্রেইন অবসাদ হয়ে পড়ছে। এমনটা করা যাবে না। এটা একধরনের আসক্তি।

তিনি বলেন, যদি এই ডিভাইসের মাধ্যমে কিছু শেখা যায়, নিজের ব্রেইন ডেভেলপ হয়, পড়াশোনা করা যায়, তাহলে সেটা আসক্তি না। এক্ষেত্রে কোনো অ্যাপ যেন আমাদের আসক্তির দিকে নিয়ে না যায়, সেটা আমাদেরকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।