মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন ব্যবস্থাকে স্বাধীন করতে সবার একমত হওয়া জরুরি–জি এম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থাকে স্বাধীন করতে সবার একমত হওয়া জরুরি। এ জন্য সকল রাজনৈতিক দলের একত্রিত হয়ে নির্বাচন ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে হবে।

আজ বুধবার দুপুরে বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী উপস্থিত ছিলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘প্রতিবেশী ভারত, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তান মোটামুটি নির্বাচন ব্যবস্থা দাঁড় করিয়েছে। আমাদের দেশে নির্বাচন নিয়ে সেই পুরোনো খেলাই চলছে। যখন সরকারে থাকে সবাই সংবিধানের দোহাই দিয়ে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের চেষ্টা করে। কারণ, যারা সরকারে থাকে তারা জনগণের সামনে জবাবদিহিতা করতে ভয় পায়। আবার, ক্ষমতার বাইরে গেলে জনগণের ওপর ভরসা রেখে কথা বলেন। এমন মনোভাব থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। তাই নির্বাচন ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চিরস্থায়ী সমাধান দরকার।’

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখতে হবে। কারণ, যারা সরকারে থাকে তাদের পক্ষে নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ থাকে। এর আগে যারা সংবিধানের দোহাই দিয়েছে এখন তারা জনগণের ভোটাধিকারে কথা বলছে। আবার সেই সময়ে যারা জনগণের ভোটাধিকারে কথা বলেছেন, এখন তারা সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে। নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সার্কাস খেলছে। আমরা চাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হোক।

জনপ্রিয়

টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন

নির্বাচন ব্যবস্থাকে স্বাধীন করতে সবার একমত হওয়া জরুরি–জি এম কাদের

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ মে ২০২৩

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থাকে স্বাধীন করতে সবার একমত হওয়া জরুরি। এ জন্য সকল রাজনৈতিক দলের একত্রিত হয়ে নির্বাচন ব্যবস্থা নির্ধারণ করতে হবে।

আজ বুধবার দুপুরে বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী উপস্থিত ছিলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘প্রতিবেশী ভারত, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তান মোটামুটি নির্বাচন ব্যবস্থা দাঁড় করিয়েছে। আমাদের দেশে নির্বাচন নিয়ে সেই পুরোনো খেলাই চলছে। যখন সরকারে থাকে সবাই সংবিধানের দোহাই দিয়ে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের চেষ্টা করে। কারণ, যারা সরকারে থাকে তারা জনগণের সামনে জবাবদিহিতা করতে ভয় পায়। আবার, ক্ষমতার বাইরে গেলে জনগণের ওপর ভরসা রেখে কথা বলেন। এমন মনোভাব থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। তাই নির্বাচন ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চিরস্থায়ী সমাধান দরকার।’

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখতে হবে। কারণ, যারা সরকারে থাকে তাদের পক্ষে নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ থাকে। এর আগে যারা সংবিধানের দোহাই দিয়েছে এখন তারা জনগণের ভোটাধিকারে কথা বলছে। আবার সেই সময়ে যারা জনগণের ভোটাধিকারে কথা বলেছেন, এখন তারা সংবিধানের দোহাই দিচ্ছে। নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সার্কাস খেলছে। আমরা চাই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হোক।