শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে মন্দিরে ১৪৪ ধারা জারি

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দির

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর এলাকায় শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরে আবারো ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: বেলায়েত হসেন।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরের জমির দখল নিয়ে হিন্দুধর্মের সনাতন ও ইসকন অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছিলো। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে অনুসারীদের সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইসকনভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামের একজন সনাতন ধর্ম অনুসারী নিহত হন। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা প্রশাসন মন্দির সিলগালা করে কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। এ অবস্থায় আগামী শনিবার ওই মন্দিরে শ্রী শ্রী শীব রাত্রি ব্রত পুজা করাকে কেন্দ্র করে উপয় পক্ষই প্রস্তুতি নিতে থাকলে উত্তেজনা দেখা দেয়। ফলে শনিবার ভোর ৬ টা থেকে রোববার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারির আদেশ দেয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: বেলায়েত হোসেন বলেন, ওই মন্দিরের জমি নিয়ে স্থানীয় সনাতন ও ইসকন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ২০০৯ সালে এখানে হতাহতের ঘটনার পর আদালতে বেশ কয়েকটি মামলা করা হয়। এ বছর আবারও একই ঘটনার  পুনরাবৃত্তি এবং আইন শৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
জনপ্রিয়

টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন

ঠাকুরগাঁওয়ে মন্দিরে ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশের সময় : ০৩:৫০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর এলাকায় শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরে আবারো ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: বেলায়েত হসেন।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের শ্রীশ্রী রশিক রায় জিউ মন্দিরের জমির দখল নিয়ে হিন্দুধর্মের সনাতন ও ইসকন অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছিলো। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে অনুসারীদের সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইসকনভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামের একজন সনাতন ধর্ম অনুসারী নিহত হন। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা প্রশাসন মন্দির সিলগালা করে কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। এ অবস্থায় আগামী শনিবার ওই মন্দিরে শ্রী শ্রী শীব রাত্রি ব্রত পুজা করাকে কেন্দ্র করে উপয় পক্ষই প্রস্তুতি নিতে থাকলে উত্তেজনা দেখা দেয়। ফলে শনিবার ভোর ৬ টা থেকে রোববার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারির আদেশ দেয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: বেলায়েত হোসেন বলেন, ওই মন্দিরের জমি নিয়ে স্থানীয় সনাতন ও ইসকন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ২০০৯ সালে এখানে হতাহতের ঘটনার পর আদালতে বেশ কয়েকটি মামলা করা হয়। এ বছর আবারও একই ঘটনার  পুনরাবৃত্তি এবং আইন শৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।