বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এই ঘোষণা নব্য ফ্যাসিস্টদের জন্মচিৎকার: মোমিন মেহেদী

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রসঙ্গে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, জুলাই অপরাধীদের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য না থাকা এই ঘোষণা নব্য ফ্যাসিস্টদের জন্মচিৎকার।

৬ আগস্ট সকালে ২৭/৭ তোপখানা রোডস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র : কি পেয়েছে ছাত্র-যুব-জনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, ড. ইউনূস অভাগা এই দেশের মানুষকে নতুন করে আর কোনো নব্য ফ্যাসিস্টের পদধ্বণি শোনাবেন না। অনেক খেলা দেখেছে বাংলাদেশের মানুষ গত ৫৪ বছরে, রাজনীতি-অর্থনীতি-শিক্ষা-ধর্ম-মানবতা-সভ্যতা-কূটনীতি কোথাও স্বাধীনতা রক্ষা হয়নি; বরং বড় বড় খেলোয়ার এসেছে, খেলা রেখে পালিয়েও গেছে। আপনি নতুন কোনো খেলা না আয়োজন করে সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেয়ার প্রস্তুতি নিন। তা না হলে আজ থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করবে- ১৫ আগস্টের মত করে ৫ আগস্টকে কেন সাজাচ্ছেন? কেন দেশের মানুষের রক্তচুষে সেই টাকা অপচয় করার রাস্তায় হাঁটছেন অতিতের ফ্যাসিস্টদের মত করে?

এতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কাজী মুন্নি আলম, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজেদ রানা প্রমুখ।  এসময় বক্তারা বলেন, আগে বাংলাদেশ ভারতপন্থী হয়ে দেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে আর এখন ইউনূস সরকার ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখার লক্ষ্যে এমন আত্মঘাতি চুক্তি করেছে। যা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো ক্ষতিগ্রস্থ হবে। আমরা ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশের পর থেকে অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেভাবে সোচ্চার রাজপথে, তেমনি এখনো রাজপথে থাকবো এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে চলমান মব ইনজাস্টিস, চাঁদাবাজি,  দুর্নীতি ও স্বেরাচারির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। মোমিন মেহেদী এসময় ভাই হারানো শোকের ৩৬ জুলাইয়ে একের পর এক কনসার্ট, উৎসব আয়োজনে কোটি টাকা অপচয় না করে, তা দিয়ে ভাসমান নিরন্নদের কর্মসংস্থানে পরিকল্পিতভাবে ব্যয়ের আহবান জানিয়ে বলেন, অতিতের ফ্যাসিস্টদের মত অর্থ অপচয় না করে নিন্মবিত্ত-ভাসমান মানুষদেরকে আত্মকর্মসংস্থানের দিকে নজর দিন, দেশের অর্থনীতিকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে সাহায্য করুন। তা না হলে বুবু গেছে যেই পথে, আপনি এবং আপনার নিয়োগকর্তারাও যাবেন সেই পথে।

জনপ্রিয়

টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন

এই ঘোষণা নব্য ফ্যাসিস্টদের জন্মচিৎকার: মোমিন মেহেদী

প্রকাশের সময় : ০৮:২৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রসঙ্গে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, জুলাই অপরাধীদের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য না থাকা এই ঘোষণা নব্য ফ্যাসিস্টদের জন্মচিৎকার।

৬ আগস্ট সকালে ২৭/৭ তোপখানা রোডস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র : কি পেয়েছে ছাত্র-যুব-জনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, ড. ইউনূস অভাগা এই দেশের মানুষকে নতুন করে আর কোনো নব্য ফ্যাসিস্টের পদধ্বণি শোনাবেন না। অনেক খেলা দেখেছে বাংলাদেশের মানুষ গত ৫৪ বছরে, রাজনীতি-অর্থনীতি-শিক্ষা-ধর্ম-মানবতা-সভ্যতা-কূটনীতি কোথাও স্বাধীনতা রক্ষা হয়নি; বরং বড় বড় খেলোয়ার এসেছে, খেলা রেখে পালিয়েও গেছে। আপনি নতুন কোনো খেলা না আয়োজন করে সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে বিদায় নেয়ার প্রস্তুতি নিন। তা না হলে আজ থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করবে- ১৫ আগস্টের মত করে ৫ আগস্টকে কেন সাজাচ্ছেন? কেন দেশের মানুষের রক্তচুষে সেই টাকা অপচয় করার রাস্তায় হাঁটছেন অতিতের ফ্যাসিস্টদের মত করে?

এতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কাজী মুন্নি আলম, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজেদ রানা প্রমুখ।  এসময় বক্তারা বলেন, আগে বাংলাদেশ ভারতপন্থী হয়ে দেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে আর এখন ইউনূস সরকার ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখার লক্ষ্যে এমন আত্মঘাতি চুক্তি করেছে। যা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো ক্ষতিগ্রস্থ হবে। আমরা ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশের পর থেকে অন্যায়-অপরাধ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেভাবে সোচ্চার রাজপথে, তেমনি এখনো রাজপথে থাকবো এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে চলমান মব ইনজাস্টিস, চাঁদাবাজি,  দুর্নীতি ও স্বেরাচারির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। মোমিন মেহেদী এসময় ভাই হারানো শোকের ৩৬ জুলাইয়ে একের পর এক কনসার্ট, উৎসব আয়োজনে কোটি টাকা অপচয় না করে, তা দিয়ে ভাসমান নিরন্নদের কর্মসংস্থানে পরিকল্পিতভাবে ব্যয়ের আহবান জানিয়ে বলেন, অতিতের ফ্যাসিস্টদের মত অর্থ অপচয় না করে নিন্মবিত্ত-ভাসমান মানুষদেরকে আত্মকর্মসংস্থানের দিকে নজর দিন, দেশের অর্থনীতিকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে সাহায্য করুন। তা না হলে বুবু গেছে যেই পথে, আপনি এবং আপনার নিয়োগকর্তারাও যাবেন সেই পথে।