
ইসলামে আমাদের জন্য পাঁচটি স্তম্ভ ফরজ করা হয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো রোজা। রোজা আমাদের শারীরিক ইবাদতের অন্যতম।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন,
شَہۡرُ رَمَضَانَ الَّذِیۡۤ اُنۡزِلَ فِیۡہِ الۡقُرۡاٰنُ ہُدًی لِّلنَّاسِ وَبَیِّنٰتٍ مِّنَ الۡہُدٰی وَالۡفُرۡقَانِ ۚ فَمَنۡ شَہِدَ مِنۡکُمُ الشَّہۡرَ فَلۡیَصُمۡہُ অর্থ: রমজান মাসই হল সে মাস, যাতে কোরআন নাজিল করা হয়েছে ,যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোজা রাখবে। (সুরা বাকারা, ১৮৫)
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا کُتِبَ عَلَیۡکُمُ الصِّیَامُ کَمَا کُتِبَ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِکُمۡ لَعَلَّکُمۡ تَتَّقُوۡنَ অর্থ: হে মুমিনগণ! তোমাদের প্রতি রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের প্রতি ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমাদের মধ্যে তাকওয়া সৃষ্টি হয়। ( সুরা বাকারা, ১৮৩) সুতরাং প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ, সক্ষম, সকল নারী পুরুষের উপর রোজা রাখা ফরজ।
وَاَنۡ تَصُوۡمُوۡا خَیۡرٌ لَّکُمۡ اِنۡ کُنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ অর্থ : আর যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পার। ( সুরা বাকারা ১৮৪) রোজা শরীর জাকাতও বটে কেননা, রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, প্রত্যেক বস্তুর জাকাত রয়েছে। আর শরীরের জাকাত হচ্ছে রোজা। রোজা হচ্ছে সবর বা ধৈর্যের অর্ধেক। (ইবনে মাজাহ,হাদিস ১৭৪৫) রোজা রাখলে শরীর সুস্থ থাকে। যেমনটি হাদিস শরিফে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমরা রোজা রাখ, সুস্থ থাকবে। ( তারগিব,হাদিস ১৪৫৫)
রোজাদারের জন্য আরেকটি বড় সুখবর হলো, তাদের জন্য আলাদা একটি দরজা থাকবে, জান্নাতে প্রবেশ করবে। হাদিস শরিফ রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, জান্নাতের রাইয়ান নামক দরজা দিয়ে কেবল রোজাদাররাই প্রবেশ করবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস ১৮৯৬) –সময় সংবাদ
ধর্ম ডেস্ক 






































