শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

জয় শেষে যা বললেন সাকিব

স্পোর্টস ডেস্ক ।।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রোববার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ২৪১ রানের মাঝারি স্কোর তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ দল।

প্রথমসারির এই ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেওয়া ৩৮.৩ ওভারে ১৭৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে যায় বাংলাদেশ।

তারকা ব্যাটসম্যানদের আত্মহুতির দিনে উইকেটের এক পাশ আগলে রেখে বাড়তি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন সাকিব। অষ্টম উইকেটে পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ৬৯ রানের কার্যকরী জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি।

৯.৩ ওভারে দলীয় ৩৯ রানে ওপেনার তামিম ইকবাল আউট হওয়ার পর ওয়ানডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে শেষ ওভার পর্যন্ত খেলে যান সাকিব। তার ১০৯ বলে ৮টি চারের সাহায্যে গড়া অপরাজিত ৯৬ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংসে ভর করে পাঁচ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ।  দলের জয়ে ৩৪ বলে অপরাজিত ২৮ রান করেন সাইফউদ্দিন।

খেলা শেষে সাকিব বলেন, আমি মনে করি এই পর্যায়ে এসে শারীরিক প্রস্তুতির চেয়ে মানসিকতা প্রস্তুতি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন খেলব ততদিন আমি এই ফোকাসটি ধরে রাখতে চাই। আমি যদি মানসিকভাবে চাঙা থাকতে পারি, তা হলে আমার পক্ষে নিয়মিত রান করা সম্ভব।

খেলা শেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পাঠানো এক ভিডিওবার্তায় সাকিব আল হাসান আরও বলেন, সাইফউদ্দিনকে বলছিলাম— আমরা ব্যাটসম্যানরা যদি ৪৫ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করতে পারি, তা হলে দেখতে পারব আমরা কোথায় আছি। তখন ১৫-২০ বা ৩০ রান দুই-তিন ওভারেও করা সম্ভব। সবসময় লক্ষ্য ছিল— খেলা যতটা ক্লোজ করতে পারি। কখনই চিন্তা করিনি যে, ৬০-৭০ রান লাগে সেটি তাড়াতাড়ি তাড়া করতে হবে।

উইকেট নিয়ে সাকিব বলেন, উইকেট আজ একটু ভিন্নরকম ছিল, বল ওইভাবে ব্যাটে আসছিল না। রান করার জন্য শট খেলতে হতো। ব্যাটসম্যান হিসেবে মানিয়ে নিতে হয়েছে। আমি খুশি যে, মানিয়ে নিতে পেরেছি। নিয়মিত যেহেতু উইকেট পড়ছিল, আমি খুব বেশি কিছু করতেও পারতাম না। কৃতিত্ব দিতে হয় সাইফউদ্দিনকে, ও যেভাবে খেলাটা শেষ করতে পেরেছে।

জয় শেষে যা বললেন সাকিব

প্রকাশের সময় : ০১:১৭:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুলাই ২০২১

স্পোর্টস ডেস্ক ।।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রোববার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ২৪১ রানের মাঝারি স্কোর তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ দল।

প্রথমসারির এই ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেওয়া ৩৮.৩ ওভারে ১৭৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে যায় বাংলাদেশ।

তারকা ব্যাটসম্যানদের আত্মহুতির দিনে উইকেটের এক পাশ আগলে রেখে বাড়তি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন সাকিব। অষ্টম উইকেটে পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ৬৯ রানের কার্যকরী জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি।

৯.৩ ওভারে দলীয় ৩৯ রানে ওপেনার তামিম ইকবাল আউট হওয়ার পর ওয়ানডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে শেষ ওভার পর্যন্ত খেলে যান সাকিব। তার ১০৯ বলে ৮টি চারের সাহায্যে গড়া অপরাজিত ৯৬ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংসে ভর করে পাঁচ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ।  দলের জয়ে ৩৪ বলে অপরাজিত ২৮ রান করেন সাইফউদ্দিন।

খেলা শেষে সাকিব বলেন, আমি মনে করি এই পর্যায়ে এসে শারীরিক প্রস্তুতির চেয়ে মানসিকতা প্রস্তুতি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন খেলব ততদিন আমি এই ফোকাসটি ধরে রাখতে চাই। আমি যদি মানসিকভাবে চাঙা থাকতে পারি, তা হলে আমার পক্ষে নিয়মিত রান করা সম্ভব।

খেলা শেষে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পাঠানো এক ভিডিওবার্তায় সাকিব আল হাসান আরও বলেন, সাইফউদ্দিনকে বলছিলাম— আমরা ব্যাটসম্যানরা যদি ৪৫ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করতে পারি, তা হলে দেখতে পারব আমরা কোথায় আছি। তখন ১৫-২০ বা ৩০ রান দুই-তিন ওভারেও করা সম্ভব। সবসময় লক্ষ্য ছিল— খেলা যতটা ক্লোজ করতে পারি। কখনই চিন্তা করিনি যে, ৬০-৭০ রান লাগে সেটি তাড়াতাড়ি তাড়া করতে হবে।

উইকেট নিয়ে সাকিব বলেন, উইকেট আজ একটু ভিন্নরকম ছিল, বল ওইভাবে ব্যাটে আসছিল না। রান করার জন্য শট খেলতে হতো। ব্যাটসম্যান হিসেবে মানিয়ে নিতে হয়েছে। আমি খুশি যে, মানিয়ে নিতে পেরেছি। নিয়মিত যেহেতু উইকেট পড়ছিল, আমি খুব বেশি কিছু করতেও পারতাম না। কৃতিত্ব দিতে হয় সাইফউদ্দিনকে, ও যেভাবে খেলাটা শেষ করতে পেরেছে।