শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

যশোর শার্শায় স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষন একজন আটক 

যশোর ব্যুরো।। যশোরের শার্শা উপজেলায় ষষ্ট শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল শিক্ষার্থীকে (১৩) যৌন নিপিড়নের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে।ঘটনার সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ পুলিশ সাগর নামের এক কিশোরকে আটক করেছে।
শার্শা থানার ওসি বদরুল আলম খান বলেন,শনিবার রাতে উপজেলার বামুনিয়া সোনাতনকাটি গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।
সোমবার রাতে থানায় মামলা হলে ঘটনার সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে সোনাতনকাটি গ্রামের আখতারুল ইসলামের ছেলে সাগর হোসেনকে (১৮) আটক করা হয়।
তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ঘটনার সাথে তিন জন যুক্ত ছিলেন।অন্যরা হচ্ছেন- সোনাতনকাটি গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সুমন হোসেন(১৮) ও কলারোয়া উপজেলার ধানঘুরা গ্রামের রেজাউল সর্দারের ছেলে নাহিদ হাসান (২৫)।
মামলার বরাতে ওসি বদরুল আলম খান বলেন,বামুনিয়া সোনাতনকাটি গ্রামের ওই মেয়েটি (১৩)শনিবার রাতে পাশের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন।এসময় ওই তিন কিশোর তার মুখ চেপে ধরে পাশের পুকুর ধারের জঙ্গলে নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করে।পরে তারা পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে।এসময় মেয়েটির স্বজনদের হাঁকডাকে তারা পালিয়ে যায়।
মেয়েটির বাবা জানান,আমি গরিব ও ভ্যানচালক হওয়ায় ওরা আমাকে ঘটনা জানাজানি করলে জীবননাশের হুমকি দেয়।সোমবার রাতে সামাজিক বিচারের নামে গ্রামের প্রভাবশালিরা একটি ঘরে আমাদেরকে আটকে রাখে।পরে পুলিশ আমাদেরকে উদ্ধার করে।
ওসি বদরুল আলম জানান,তিনজনের নামে শার্শা থানায় ধর্ষন মামলা হয়েছে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাগর স্বীকার করেছে তারা তিনজন এ অপকর্ম লিপ্ত ছিল। অন্য ২জনকে আটকের চেষ্টা চলছে।মঙ্গলবার মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।#

যশোর শার্শায় স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষন একজন আটক 

প্রকাশের সময় : ০৯:৫২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১
যশোর ব্যুরো।। যশোরের শার্শা উপজেলায় ষষ্ট শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুল শিক্ষার্থীকে (১৩) যৌন নিপিড়নের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে।ঘটনার সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ পুলিশ সাগর নামের এক কিশোরকে আটক করেছে।
শার্শা থানার ওসি বদরুল আলম খান বলেন,শনিবার রাতে উপজেলার বামুনিয়া সোনাতনকাটি গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।
সোমবার রাতে থানায় মামলা হলে ঘটনার সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে সোনাতনকাটি গ্রামের আখতারুল ইসলামের ছেলে সাগর হোসেনকে (১৮) আটক করা হয়।
তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ঘটনার সাথে তিন জন যুক্ত ছিলেন।অন্যরা হচ্ছেন- সোনাতনকাটি গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সুমন হোসেন(১৮) ও কলারোয়া উপজেলার ধানঘুরা গ্রামের রেজাউল সর্দারের ছেলে নাহিদ হাসান (২৫)।
মামলার বরাতে ওসি বদরুল আলম খান বলেন,বামুনিয়া সোনাতনকাটি গ্রামের ওই মেয়েটি (১৩)শনিবার রাতে পাশের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন।এসময় ওই তিন কিশোর তার মুখ চেপে ধরে পাশের পুকুর ধারের জঙ্গলে নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করে।পরে তারা পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে।এসময় মেয়েটির স্বজনদের হাঁকডাকে তারা পালিয়ে যায়।
মেয়েটির বাবা জানান,আমি গরিব ও ভ্যানচালক হওয়ায় ওরা আমাকে ঘটনা জানাজানি করলে জীবননাশের হুমকি দেয়।সোমবার রাতে সামাজিক বিচারের নামে গ্রামের প্রভাবশালিরা একটি ঘরে আমাদেরকে আটকে রাখে।পরে পুলিশ আমাদেরকে উদ্ধার করে।
ওসি বদরুল আলম জানান,তিনজনের নামে শার্শা থানায় ধর্ষন মামলা হয়েছে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাগর স্বীকার করেছে তারা তিনজন এ অপকর্ম লিপ্ত ছিল। অন্য ২জনকে আটকের চেষ্টা চলছে।মঙ্গলবার মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।#