মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সংগীতশিল্পী আসিফের বলিউড যাত্রা

ছবি: সংগৃহীত

২০০১ সালে বাংলা সংগীতে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব ঘটে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের। একের পর এক হিট গান দিয়ে শ্রোতাদের কাছে নিজের আসন শক্ত করেন। তবে অডিও গানের আগেই প্লেব্যাকে তার যাত্রা শুরু হয়। তিনি নিজেও প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে পরিচয় দেন।

বাংলা সিনেমাতেও আছে তার অনেক জনপ্রিয় গান। এমনকি প্লেব্যাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও ঘরে তুলে নিয়েছেন তিনি। এবার বাংলা গানের যুবরাজের কণ্ঠ শোনা যাবে বলিউডের সিনেমায়। তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করেন।

ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমার অভিষেক ঘটেছে। প্রিয় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছি। আল্লাহ মহান। ভালোবাসা অবিরাম।’

তার এ পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীরা তাকে শুভেচ্ছায় ভাসান। আসিফ আকবরের আগে বলিউড সিনেমায় হিন্দি গান গেয়েছেন বাংলাদেশের আরও কয়েকজন শিল্পী। তাদের গানগুলো পেয়েছে শ্রোতাপ্রিয়তা। গানের যে কোনো কাঁটাতারের বেড়া বা সীমানা নেই তা প্রমাণ করেছেন।

বলিউডে প্লেব্যাক করা শিল্পীদের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে রুনা লায়লার নাম। ১৯৭৬ সালে বিখ্যাত সংগীতপরিচালক কল্যাণজি-আনন্দজির সুরে ‘এক সে বাড়কার এক’ সিনেমার আইটেম গানে প্রথম কণ্ঠ দেন রুনা। এরপর তিনি ভূপিন্দর সিংয়ের সঙ্গে ‘ঘরোন্দা’ ছবিতে ‘দো দিওয়ানে শেহের মে’ গান করেন।

মোহম্মদ রফির সঙ্গে ‘জান-ই-বাহার’ সিনেমার রুনার গাওয়া ‘মার গায়ো রে’ গানটি বেশ আলোচিত হয়। মাহফুজ আনাম জেমস ২০০৫ সালে বলিউড সুরকার প্রীতমের সুরে অনুরাগ বসুর পরিচালনায় ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমায় ‘ভিগি ভিগি রাতে’ গানে প্রথম কণ্ঠ দেন। গানটি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পায়। এরপর ২০০৬ সালে জেমস ‘ও লামহে’ ও ২০০৭ সালে ‘লাইফ ইন অ্যা মেট্রো’ সিনেমায় ‘আলবিদা’, ‘রিশতে’ ও ‘চাল চালে আপনে ঘার’ গানে অংশ নেন। ২০১৩ সালে ‘ওয়ার্নিং ছবির ‘বেবাসি’ গানটি গেয়েছেন তিনি।

সংগীতশিল্পী আসিফের বলিউড যাত্রা

প্রকাশের সময় : ১১:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪

২০০১ সালে বাংলা সংগীতে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব ঘটে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের। একের পর এক হিট গান দিয়ে শ্রোতাদের কাছে নিজের আসন শক্ত করেন। তবে অডিও গানের আগেই প্লেব্যাকে তার যাত্রা শুরু হয়। তিনি নিজেও প্লেব্যাক সিঙ্গার হিসেবে পরিচয় দেন।

বাংলা সিনেমাতেও আছে তার অনেক জনপ্রিয় গান। এমনকি প্লেব্যাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও ঘরে তুলে নিয়েছেন তিনি। এবার বাংলা গানের যুবরাজের কণ্ঠ শোনা যাবে বলিউডের সিনেমায়। তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করেন।

ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমার অভিষেক ঘটেছে। প্রিয় বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছি। আল্লাহ মহান। ভালোবাসা অবিরাম।’

তার এ পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীরা তাকে শুভেচ্ছায় ভাসান। আসিফ আকবরের আগে বলিউড সিনেমায় হিন্দি গান গেয়েছেন বাংলাদেশের আরও কয়েকজন শিল্পী। তাদের গানগুলো পেয়েছে শ্রোতাপ্রিয়তা। গানের যে কোনো কাঁটাতারের বেড়া বা সীমানা নেই তা প্রমাণ করেছেন।

বলিউডে প্লেব্যাক করা শিল্পীদের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে রুনা লায়লার নাম। ১৯৭৬ সালে বিখ্যাত সংগীতপরিচালক কল্যাণজি-আনন্দজির সুরে ‘এক সে বাড়কার এক’ সিনেমার আইটেম গানে প্রথম কণ্ঠ দেন রুনা। এরপর তিনি ভূপিন্দর সিংয়ের সঙ্গে ‘ঘরোন্দা’ ছবিতে ‘দো দিওয়ানে শেহের মে’ গান করেন।

মোহম্মদ রফির সঙ্গে ‘জান-ই-বাহার’ সিনেমার রুনার গাওয়া ‘মার গায়ো রে’ গানটি বেশ আলোচিত হয়। মাহফুজ আনাম জেমস ২০০৫ সালে বলিউড সুরকার প্রীতমের সুরে অনুরাগ বসুর পরিচালনায় ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমায় ‘ভিগি ভিগি রাতে’ গানে প্রথম কণ্ঠ দেন। গানটি ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা পায়। এরপর ২০০৬ সালে জেমস ‘ও লামহে’ ও ২০০৭ সালে ‘লাইফ ইন অ্যা মেট্রো’ সিনেমায় ‘আলবিদা’, ‘রিশতে’ ও ‘চাল চালে আপনে ঘার’ গানে অংশ নেন। ২০১৩ সালে ‘ওয়ার্নিং ছবির ‘বেবাসি’ গানটি গেয়েছেন তিনি।